আজ : ১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Breaking News

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের উপর হামলা

আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের রাজনৈতীক প্রতি হিংসার শিকার। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ত্যাগি ও পরীক্ষিত নেতা জিয়া আমিন রাড়ী’র স্বদেশ প্রতাবর্তন উপলক্ষ্যে গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত । রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বরিশাল উজিরপুর বামরাইল ইউনিয়ন হাইস্কুল মাঠে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।এই সংবাদ প্রচার করলে তার জের ধরে সাংবাদিক জামাল হোসাইনের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায় আওয়ামী লীগের পা চাটা দালাল তেলবাজ নামধারি সাংবাদিক সুমন ওরফ মাথামোটা সুমনসহ সংঘ পাঙ্গরা। মঙ্গলবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ ইয়াকুব আলী সুপার মার্কেট তৃতীয় তলার নূর এয়ার ইন্টারন্যাশনাল ভিসা প্রসেসিং,এয়ার টিকিট অফিসে বসে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় সুমনসহ এনায়েত মোল্লা অংশগ্রহণ করে গালাগালি এবং হত্যার হুমকি দেয়,ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের সংবাদ প্রকাশে বিরত থাকি । সাংবাদিক জামাল জাতীয় দৈনিক আজকের সংবাদ পত্রিকা এবং বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন নিউজ টোয়েন্টি ওয়ান বাংলা টিভি’র বরিশাল ব্যুরোচীফ। হামলার শিকার সাংবাদি জামাল বলে, সংবাদপ্রকাশের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায়। আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নথুল্লাবাদ ইয়াকুব আলী সুপারমার্কেটের তৃতীয় তলায় ভিসা প্রসেসিং নুর এয়ার ইন্টারন্যাশনাল অফিসে কথা বলছিলাম ইতিমধ্যে সুমনের নেতৃত কয়েকজন লোক ঢুকে সংবাদ প্রকাশ করার কথা জানতে চেয়ে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ ব্যাপারে সুমন যে পত্রিকার পরিচয় দিয়ে চলে সেই পত্রিকার সম্পাদককে অবহিত করলে বিষয়টি তিনি দেখবেন কথা বলে জানায়। কে এই সুমন? সুমনের পরিচয় জানা যাক সুমন হিন্দু পরিবারের সন্তান, সুমনের বাড়ি বরিশাল আগোলঝাড়া উপজেলায়।হিন্দু থেকে মুসলমান হয়েছে। কয়েক বছর আগে জমির দালালি এবং একটি স্থানীয় একটি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতো। ওই পত্রিকার এক সাংবাদিকের সুপারিশে সুমনকে ফটো গ্রাফার করার দাবি জানালে সম্পাদক বিবেচনা করে ফটো গ্রাফার হিসেবে সুযোগ দেয়। কিন্তু সম্পাদকের সেই সুযোগ নিয়ে এই সুমন কাশিপুর সুরভী পেট্রোল পাম্পে গিয়ে ম্যানেজার কালামের কাছে চাঁদাবজী করে। পরে স্থানীয় জনতা তাকে ধরে উত্তম মাধ্যম দিয়ে ওই সম্পাদকের খবর দেয়। পরে সম্পাদক এসে বিষয়টি জেনে সত্যতা পাওয়ায় তার পত্রিকা থেকে বাদ দিয়ে দেয়। পরে আবার ওই সাংবাদিক সুপারিশ করে আরেকটি স্থানীয় পত্রিকায় নিয়ে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। তারপর আর সুমনের পিছে ফিরে তাকানোর সময় নেই। সুমন এতটা বেপরোয়া হয়ে ওঠে মানুষকে মানুষ বলে মনে করে না। কোন ভদ্র মানুষদের সম্মান দেয় না। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে বিভিন্ন নেতাদের পা চাটা, তেল বাজি করা,জমি জবরদখল করে দেওয়া ছিল প্রধান আয়ের উৎস ছিল। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি অফিসে গিয়ে তাদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করা তার নেশা পেশা হিসেবে দাঁড়িয়েছে । নিরপেক্ষ পেশাদার সাংবাদিকদের বিগত সরকারের আমলে অনেক হয়রানি করতো। বর্তমানেও পেশাদার সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ করে কথাবার্তা বলে সুযোগ পেলে হামলা চালায়। তাই এখনই সময় সুমনসহ সঙ্গবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া না হলে ভবিষ্যতে নামধারী সাংবাদিকরা পেশাদার সাংবাদিকদের উপর একের পর এক হামলা চালিয়ে যাবে এমনটাই আশঙ্কা করে। সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা জানায় তাদের আইনের আওতায় আনা অতবি জরুরী।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Comment moderation is enabled. Your comment may take some time to appear.