আজ : ২৬শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
Breaking News

আগুন যুদ্ধে মানুষ হত্যা একই সূত্রে গাঁথা

বরিশাল অফিস : বরিশালে জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ উপলক্ষ্যে বরিশাল বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতায়ালী থানা পুলিশের আয়োজনে শনিবার ( ২৩ জুলাই ) এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১১ টায় নগরীর নতুন বাজারস্থ অমৃতাঙ্গন প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত বরিশালের সর্বস্তরের শ্রেনী প্রেশার সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। তিনি বলেন, আমাদের সরকারকে হেয়-প্রতিপন্ন করতেই গুলশান ও শোলাকিয়ায় এ ধরনের কর্মকান্ড ঘটানো হয়েছে। তাই এই সকল হটাও জঙ্গী, বাচাও দেশ শোগানকে ধারণ করে দলমত নির্বিশেষে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবীদ প্রফেসর মো. হানিফ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মু, জিয়াউল হক ও বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক খান আলতাফ হোসেন ভুলু। আরো বক্তব্য রাখেন, বরিশাল সংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি এ্যাড. এস এম ইকবাল, বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ কুতুব উদ্দিন আহম্মেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আনিচুর রহমান, নাট্যজন সৈয়দ দুলাল, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আফজালুল করিম, বরিশাল হিন্দু-বৈদ্ধ ঐক্য পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি এ্যাড. মানবেন্দ্র ব্যটবল, বরিশাল পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নারায়ন চন্দ্র দে নারু, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ভাস্কর সাহা, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, বরিশাল বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর স ম ইমামুল হাকিম, বরিশাল জিলা স্কুলের অধ্যক্ষ সাবিনা ইয়াসমিন, বরিশাল সিটি কপোরেশনের প্যানেল মেয়র কে এম শহিদুল¬াহ, কাউন্সিলার কহিনুর বেগম প্রমুখ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. গোলাম রউফ। মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, গুলশান ও শোলাকিয়ার জঙ্গী হামলা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, পরবর্তীতে বিগত দিনগুলোতে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির প্রচেষ্টা এবং আগুন যুদ্ধে মানুষ হত্যা একই সূত্রে গাঁথা। তাই যারা মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত মুক্ত চর্চার মানুষ হত্যা, দেশের রীতি-নীতি, সভ্যতা, সংস্কৃতি নস্যাৎ করতে চায় তারা মানুষরূপী দানব। আর ওই দানবদের রুখতে সকলকে এই জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসের বিররুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Comment moderation is enabled. Your comment may take some time to appear.