আজ : ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং , ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Breaking News

প্রতিশ্রুতি নয় বাস্তবায়নে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের এর সভাপতি নাজমা আক্তার

মোঃজিয়াউল হক আকন : ঢাকা-১৮ উপনির্বাচনে মনোনয়ন ফরম তুললেন সাবেক সাংসদ ও বাংলাদেশ যুব-মহিলা লীগের বর্তমান সভাপতি নাজমা আখতার। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি।
ঢাকা-১৮ সহ আওয়ামী লীগের পাঁচ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়ন ফরম বিক্রির সোমবার ছিলো প্রথম দিন। চচ সংগ্রহ ১৭ আগস্ট থেকে শুরু ও জমা নেয়া হচ্ছে, যা চলবে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে ঢাকা-১৮ আসনটি শূন্য হয়। সাহারা খাতুন জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৯ জুলাই রাতে থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে মারা যান।
সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবনে নাজমা আখতার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের ছাত্র সংসদের নির্বাচিত জিএস ছিলেন, ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। স্বৈরচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ছিলেন প্রথম কাতারে। ১/১১’তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে কোর্টে নেওয়া হলে, অনেক নেতারা যখন গা-ঢাকা দিয়েছিলেন তখন সর্ব প্রথম কোর্ট প্রাঙ্গনে যুব মহিলা লীগকে নিয়ে মিছিল করেন। এই মিছিল করার জন্য সেনা সরকার তার বিরুদ্ধে জরুরী বিধিমালায় মামলা করে। তার বাড়ীর মালামাল ক্রোক এর আদেশ হয়- তিনি দীর্ঘ ছয় মাস শিশু সন্তানও পরিবার ছেড়ে পলাতক থাকতে বাধ্য হন।
তিনি আত্মগোপনে থেকেও নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। মামলা থেকে জামিন পাওয়ার পর নেত্রীর মুক্তির জন্য ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৪০ জন নারীর স্বাক্ষর সংগ্রহ/জেলগেটে অবস্হানসহ সকল আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন।
নাজমা আক্তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি অনেক পরিশ্রম এবং ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তিনি সবসময় তার কর্মে ছিলেন সৎ এবং নিষ্ঠার সাথে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব দক্ষতার সাথে পালন করেছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যার প্রতি অবিচল আস্থা, বিশ্বাস, ভালোবাসা তাকে তার লক্ষ্যে পৌছে দিবে।
বর্তমানে তিনি যুব মহিলা লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন(২০০২ থেকে ২০২০ মোট তিন বার)
সাবেক সংসদ সদস্য(২০০৯-২০১৪), নবম জাতীয় সংসদ, সাবেক জিএস, রোকেয়া হল ছাত্র সংসদ,(১৯৮৯-১৯৯০) সাবেক সাধারন সম্পাদক(দ্বিতীয়বার), রোকেয়া হল শাখা, ঢা.বি(১৯৮৫-১৯৯০)
সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ(১৯৮৯-১৯৯০) সাবেক সাধারন সম্পাদক,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,পাবনা সরকারী মহিলা কলেজ(১৯৮৩-১৯৮৪) সাবেক ছাত্রকল্যান সম্পাদক, টুঙ্গীপারা থানা ছাত্রলীগ(১৯৮২) তিনি অনেকবছর ধরে ঢাকা ১৮ আসনে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
কর্মীবান্ধব উদার রাজনীতি ও সাংগঠনিক দক্ষতায় জনপ্রিয়তা নাজমা আক্তার। উপনির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামীলীগ তৃনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর দু:সময়ের কান্ডারি নাজমা আক্তার কে আবারো এমপি দেখতে চান তৃনমূলের অধিকাংশ নেতাকর্মী।
সূখী সমৃদ্ধশালী আধুনিক ঢাকা ১৮ অাসন গড়ার স্বপ্ননারী এই প্রজ্ঞাবান নেতা। ধর্ম ভিরু এই নেতা প্রায় সকল শ্রেণি পেশার মানুষের নয়ন মনি-বিশেষনে অভিসিক্ত। অসহায় মেহনতি মানুষের বন্ধু। স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি মানুষের দু:খ দুর্দশায় নিজেকে সর্বদা ব্যস্ত রাখতেন। বিবেকের ব্যাকুলতায় যখন যেভাবে পারতেন অসহায়দের পাশে দাড়িয়ে বাড়িয়ে দিতেন সহয়তার কোমল দু’হাত। মানুষের দু:খ-দুর্দশা লাঘবের অক্রিতিম বিবেক বোধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দেশত্ববোধের গভিরতার টানে তিনি নিজেকে জড়িয়েছেন ছাত্র রাজনীতিতে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক রাজনীতি মিশে আছে তার হৃদয়ে।
শুধু ঢাকা জুড়েই নয় এখন পুরো দেশ জুড়েই তৈরী হয়েছে নাজমা আক্তারের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার শক্তবলায়। এই নেতার প্রতি সকল মানুষের গণঅবস্থান বহিপ্রকাশ বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। দিনের শুরু থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভক্ত অনুসারী এবং নেতা কর্মী শুভার্থীদের ঠাসাঠাসি ভীর যেন নাজমা আক্তার এর কর্মীবান্ধব উধার রাজনীতি ও সাংগঠনিক দক্ষতায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে।
সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় বিভিন্ন সময়ে অনেক মামলা-হামলার শিকারও হয়েছিলেন তিনি। অনেক বাধা-বিপত্তি এসেছে; কিন্তু নিজে কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যূত হননি।সিন্ডেকেট কোরাম কে ভ্রাতিত্বের বন্ধনে জরিয়ে এগিয়ে চলছেন সব প্রতিবন্ধকতাকে পেছনে ফেলে। আর তার কর্মের ফলও তিনি পেয়েছেন প্রিয় সংগঠন থেকে। রাজনৈতিক অঙ্গনে কাজ করতে গিয়ে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের যেমন অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা পেয়েছেন তিনি। তেমনি তিনি প্রিয় ঢাকা বাসির স্নেহ-ভালোবাসা পেয়ে ধন্য হচ্ছেন। তাদের প্রেরণায়ই তিনি এগিয়ে চলছেন নিরন্তর। প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন ঢাকা ১৮ আসনের সর্বস্তরের মানুষের সেবা করার। প্রতিটি ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়ন ও কাজের ছোঁয়া তিনি এনে দিতে চান ঢাকা ১৮ আসনের মানুষের জন্য।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের একজন ‘সৈনিক’ হিসেবে সারা জীবন মানুষের সেবা করতে চান তিনি। একটি উন্নত ও আধুনিক শহর গড়তে তাকে এমপি হিসেবে দেখতে চান ঢাকা ১৮ অাসনের সর্বস্তরের জনগন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Comment moderation is enabled. Your comment may take some time to appear.