আজ : ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ ইং , ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Breaking News

চেম্বারে জামিন স্থগিত মাহমুদুর রহমানের

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের চেষ্টা ও হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি।

মাহমুদুর রহমানের জামিন চেম্বারে স্থগিত

মাহমুদুর রহমানকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তার জামিন ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেন। ফলে এই মামলা ছাড়া অন্য সব মামলায় জামিন পেয়েও তিনি আপাতত মুক্তি পাচ্ছেন না।

আদালতে মাহমুদুর রহমানের পক্ষে শুনানি করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল নিস্পত্তি করে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ মাহমুদুর রহমানকে জামিন দেন। হাইকোর্টের ওই আদেশের পর তার আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, মাহমুদুর রহমানের এখন মুক্তি পেতে বাধা নাই। তবে চেম্বার আদালতের স্থগিতাদেশের ফলে আপাতত তার মুক্তির সুযোগ আটকে গেল।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে আমেরিকায় অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতা। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা করেন।

চলতি বছর ১৮ এপ্রিল এই মামলায় ঢাকার সিএমএম আদালতে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো এবং ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালত সেদিন পরে ২৫ এপ্রিল এ আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেন। ২৫ এপ্রিল পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

অপরদিকে মাহমুদুর রহমানের আইনজীবীরা তার জামিনের আবেদন করেন। তবে সেই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ। পরে নিম্ন আদালতের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন মাহমুদুর রহমান। হাইকোর্ট তার জামিন প্রশ্নে এর আগে রুল জারি করেছিলেন। সেই রুল যথাযথ ঘোষণা করে ৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তার জামিন মঞ্জুর করেন। রবিবার সেই জামিন স্থগিত করলেন চেম্বার আদালত।

মাহমুদুর রহমানের নামে এই মামলাসহ অন্তত ৭০টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যসব মামলায় এর আগেই জামিন নিয়েছেন তিনি।

একই মামলায় দৈনিক যায়যায়দিনের সাবেক সম্পাদক শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নিম্ন আদালত ও আপিল বিভাগ তার জামিন নামঞ্জুর করেছিলেন। পরে আপিল বিভাগের নির্দেশে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Comment moderation is enabled. Your comment may take some time to appear.